Monday, February 12, 2018

গুগল সার্চ এর ৫টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল!

    February 12, 2018   No comments
দৈনন্দিন কাজে আমাদের নানা তথ্যের প্রয়োজন পড়ে। সঠিক তথ্যের জন্য বইয়ের জুড়ি নেই। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে বইপত্র ঘাঁটাঘাঁটিরও সময় পাওয়া যায় না। ফলে অবধারিত হতে হয় দ্বারস্থ হতে হয় গুগল সার্চ ইঞ্জিনের। সেজন্য আবার জানা থাকা চাই বেশ কিছু কৌশল। সঠিক কায়দা না জানলে গুগল থেকে তথ্য খুঁজে বের করা বেশ কষ্টকর।দৈনন্দিন কাজে আমাদের নানা তথ্যের প্রয়োজন পড়ে। সঠিক তথ্যের জন্য বইয়ের জুড়ি নেই। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে বইপত্র ঘাঁটাঘাঁটিরও সময় পাওয়া যায় না। ফলে অবধারিত হতে হয় দ্বারস্থ হতে হয় গুগল সার্চ ইঞ্জিনের। সেজন্য আবার জানা থাকা চাই বেশ কিছু কৌশল। সঠিক কায়দা না জানলে গুগল থেকে তথ্য খুঁজে বের করা বেশ কষ্টকর।

গুগল সার্চ এর ৫টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল! অবশ্যই দেখুন কাজে লাগবে

এই টিউটোরিয়ালে গুগল সার্চের পাঁচটি কৌশল তুলে ধরা হলো।


শব্দের অর্থ জানা

গুগলে সার্চ করে যে কোন শব্দ সম্পর্কেই জানা যাবে। গুগল থাকলে ডিকশনারির দরকার পড়ে না। কোনো শব্দের অর্থ জানতে প্রথমে লিখতে হবে define:, এরপর যে শব্দের অর্থটি জানাতে হবে তা উল্লেখ করতে হবে। উদাহরণ: define: Bangladesh।

খাদ্যের তুলনা

খেতে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খাবারে কি পুষ্টিগুণ আছে তা গুগলে সার্চ করে জানা সম্ভব। চাইলে দুইটি খাবারের মধ্যে তুলনাও করা যাবে। এর জন্য গুগল সার্চে গিয়ে খাবার দুটির নামের মাঝে ‘vs’ ব্যবহার করতে হবে। উদাহরণ, burger vs pizza

সিরিয়াল কি সার্চ

নেট থেকে কোনো ফ্রি সফটওয়্যার ডাউনলোড করলে অনেক সময়ই দেখা যায় তা ট্রায়াল ভার্সনে থাকে। ডাউনলোড করা সফটওয়্যারটি অ্যাক্টিভেট রাখতে হলে প্রয়োজন হয় সিরিয়াল কি। গুগল দিয়ে এই সিরিয়াল কি খুব সহজেই খুঁজে বের করা যায়। সিরিয়াল কি’র জন্য সার্চের শুরুতে 94fbr কোডটি লিখে স্পেস দিয়ে যে সফটওয়্যারটির সিরিয়াল কি চান তার নাম লিখতে হবে। যেমন: 94fbr ESET

শুধু রেসিপি

যে কোনো রেসিপি বা খাবারের নাম লিখে সার্চ দিন। সার্চ বক্সের ঠিক নিচে ‘সার্চ টুলস’ নামে একটি অপশন আছে, সেখান থেকে উপাদান, রান্নার সময়, ক্যালরি ইত্যাদি দেখতে পাবেন। ডায়েটের দিকে খেয়াল রেখে যারা রেসিপি বানাতে চান এই টুলটি তাদের কাজের আসবে।

টস করা

যদি কোনো কারণে টস করা দরকার হয়, হাতের কাছে কয়েন নেই? সার্চ-বক্সে লিখুন ‘ফ্লিপ অ্যা কয়েন’। গুগল আপনার জন্য কয়েন টস করে র্যা ন্ডম ফলাফল জানিয়ে দেবে।

ফাইভার মার্কেটপ্লেস, অনলাইন আরনিং শুরু হোক আজ থেকেই

    February 12, 2018   No comments
ফাইভার নামে একটা মার্কেটপ্লেস আছে আমরা অনেকেই জানি, আবার হয়তো অনেকেই জানি না। আজ আমি এই ফাইভার মার্কেটপ্লেস নিয়ে কিছু বলবো। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, সবাই কাজ নিয়ে বলে কিন্তু আমি মার্কেটপ্লেস নিয়ে বলবো কেন? কারণ, ফাইভার হতে পারে আপনার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পূরণের সারথী। আমরা অনেকেই অনেক কাজ জানি কিন্তু মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে না জানার কারনে কাজ করতে পারিনা। তাই আমি মনে করি কাজ জানা যতটা জরুরি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জানাটাও ততটা জরুরি। আর ফাইভার সম্পর্কে বলবো কারণ এখানে অনেক ছোট ছোট কাজ করে আপনি অনেক আয় করতে পারেন। এখানে অনেকেই শুধুমাত্র ইমেজ এডিটিং বা ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভের কাজ করে অনেক টাকা আয় করেন। ধারাবাহিকভাবে আমি ফাইভার নিয়ে বিস্তারিত লিখবো। আজ থাকছে তার প্রথম পর্ব………

ফাইভার মার্কেটপ্লেস, অনলাইন আরনিং শুরু হোক আজ থেকেই


কি কি থাকবেঃ

১. ফাইভার মার্কেটপ্লেস (www.fiverr.com) সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা।
২. ফাইভারে একাউন্ট তৈরি ও গিগ বানানো । (যদিও আমার মনে হয় এটা দেখানোর কোন দরকার নেই। আমরা সবাই একাউন্ট তৈরি করতে পারি। এটা দেখাবো কি দেখাবো না সেটা আপনার ঠিক করবেন)
৩. শেষে থাকবে ফাইভার মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার কিছু অব্যর্থ টিপস।

আজ আমি ফাইভার মার্কেটপ্লেস নিয়ে ধারণা দিতে চেষ্টা করব। ফাইভার মার্কেটপ্লেসকে আমরা অনেকেই জেনে বা না উপেক্ষা করি। আজ আমি বলবো ফাইভারকে উপেক্ষা করার কারণ এবং কেন আমদের ফাইভারকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।

উপেক্ষার কারণঃ

১. ফাইভার সম্পর্কে সঠিক ধারণার অভাব ।
২. ফাইভারকে শুধু $5 এর মার্কেটপ্লেস ভেবে ভুল করা ।

কেন উপেক্ষা করা উচিত নয়ঃ

১. আমি মনে করি ফাইভার হতে অনেকের বিশেষ করে নতুনদের স্বপ্ন পূরণের এবং আত্মবিশ্বাসী হওয়ার মার্কেটপ্লেস। এখানে অনেক সুযোগ আছে নতুনদের কাজ পাওয়ার । এখানে বিক্রি হয়না এমন কোন কাজ বোধহয় আমরা করি না। আপনি যা ভাল পারেন তা দিয়েই এখানে শুরু করতে পারেন।

২. ফাইভারের স্লোগান ৫ ডলারের হলেও ফাইভার আসলে শুধু ৫ ডলারের নয়। আসল সত্যি হচ্ছে ফাইভা্রে ৫ ডলারের নিচে কোন কাজ নেই।

৩. ফাইভারে বিড করার কোন ঝামেলা নেই তাই বিড করা নিয়ে নতুনদের যে ভয় সেটা থাকছে না। তাছাড়া বিড করার জন্য সময়টাও আপনার ব্যয় হচ্ছে না।

৪. এখানে আপনার বায়ারকে খুজতে হবে না, বায়ার আপনাকে খুজে নিবে। ঠিক বাসায় "টু-লেট" বিজ্ঞাপন দেওয়ার মত। যার বাসা ভাড়া দরকার বাকিটা সেই বুজবে।

৫. ফাইভারের ফিল্টারিং এমনভাবে করা যাতে থাকছে সবার জন্য সমান সুযোগ।

৬. এখানে বিড করার কোন পথ না থাকলেও আপনি বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন যা এক প্রকার বিড বলার যায়। তারমানে হচ্ছে এখানে দুই ধরণের পথই খোলা থাকছে আপনার জন্য।

৭. ফাইভারে প্রচুর পরিমাণে কাজ পাওয়া যায়। যদি অধিকাংশ কাজই ছোট ছোট কিন্তু ভুলে যাবেন না ছোট ছোট বালুকণা দিয়েই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

এমন আরও অনেক কারণ আছে যা আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে আপনাকে একধাপ এগিয়ে দিতে পারে। তবে মনে রাখবেন আপনার স্বপ্ন আপনাকেই পূরণ করতে হবে। ক্ষেত্র তৈরি, সামনে অপার সম্ভাবণা কিন্তু আপনি প্রস্তুত তো? যে কোন ক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই। ফ্রিলান্সিং ও এর বাইরে নয়। হতাশ না হয়ে এগিয়ে যান, সফলতা আসবেই। আপনার সফলতার পিছনে আপনি ছাড়া আর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। আপনার স্বদিচ্ছা এবং পরশ্রমই আপনাকে এনে দিতে পারে কাঙ্খিত সাফল্য। তাই এগিয়ে যান।

অনেক কিছুই হয়তো বলা হয়নি যা বলা দরকার ছিল। আশা করি পরের পর্বে আসবে। এ বিষয়ে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে কমেন্ট করেন অথবা আমার সাথে সরাসরি ফেইসবুকে যোগাযোগ করতে পারেন। 
Get updates in your email box

Complete the form below, and we'll send you our recent update.

Deliver via FeedBurner
© ২০১৮ পিঁপড়াবিদ্যা ™ । ডিজাইন করেছেন মো: খালিদ হাসান । সর্বসত্ত সংরক্ষিত ®